পটুয়াখালী-৩: বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হাসান মামুনের বিকল্প নেই
মিলন
পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে বিএনপিকে তৃণমূল থেকে গুছিয়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জনাব হাসান মামুন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দশমিনা ও গলাচিপার প্রতিটি ইউনিয়নে ঘুরে ঘুরে দলকে সুসংগঠিত করেছেন, কর্মীদের পাশে থেকেছেন, মামলা-হামলায় নির্যাতিত নেতাকর্মীদের খোঁজ নিয়েছেন।
কিন্তু সেই পরিশ্রমের মূল্যায়ন না করে এই আসনে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে ভিপি নুরকে। এরপর থেকেই স্থানীয় বিএনপিতে ক্ষোভ আর হতাশা বাড়ছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ভিপি নুর এখন আওয়ামী লীগের লোকজনকে ধরে ধরে নিজের দলে যোগদান করাচ্ছেন। যারা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন, নির্বাচনে তার পাশে থেকে কাজ করেছেন, তারাই এখন বঞ্চিত হচ্ছেন। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এভাবে চলতে থাকলে দশমিনা-গলাচিপায় বিএনপির আসল সংগঠন ভেঙে পড়বে।
তারা আরও বলছেন, ভিপি নুর তার গণঅধিকার পরিষদের লোকজন ছাড়া কাউকে চেনেন না। বিএনপির পুরনো, পরীক্ষিত কর্মীদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। ফলে মাঠের বিএনপি এখন বিভক্ত হয়ে পড়ছে।
এই অবস্থা নতুন নয়। ২০১৮ সালে গোলাম মাওলা রনিকে ধরে এনে বিএনপি এই আসনে নমিনেশন দিয়েছিল। তিনিও এখন বিএনপির সমালোচনা করেন। স্থানীয়রা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বাইরে থেকে এনে চাপিয়ে দেওয়া প্রার্থী দিয়ে পটুয়াখালী-৩-এ অতীতেও কোনো লাভ হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটাই দাবি, পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত রাখতে হলে হাসান মামুনের বিকল্প নেই। তিনি ছাত্রদল থেকে উঠে আসা, রাজপথের পরীক্ষিত নেতা। দশমিনা-গলাচিপার মানুষ তাকে চেনে, তিনি মানুষকে চেনেন।
তাদের ভাষায়, “এই আসন বাঁচাতে হলে ঘরের ছেলেকেই দায়িত্ব দিতে হবে। বহিরাগত দিয়ে দল গোছানো যাবে না।”
এখন দেখার বিষয়, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তৃণমূলের এই দাবিকে কতটা গুরুত্ব দেয়।