সিট ব্যবসায়ী ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে ব্যবসার নামে প্রতারণার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দোলাই খালের সিট ব্যবসায়ী ওমর ফারুক,পিতা মোঃ ইসমাইল,সাং ফোল্ডিং- ৫০/০১ টিপু সুলতান রোড,থানা- ওয়ারি জেলা- ঢাকা এর বিরুদ্ধে মাল দেওয়ার কথা বলে অগ্রিম টাকা এবং চেক এবং ব্ল্যাংক চেক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মোঃ নেছার উদ্দিন, আমাদের প্রতিবেদককে জানান গত ১৩/০৯/ ২০২৬ ইং তারিখে আমার সাথে ওমর ফারুকের সাথে একটি ব্যবসায়িক চুক্তি হয় তিনি আমাকে তিনটন ব্ল্যাংক সিট এবং একটন জিপি সিট দিবেন, যার মূল্য ৯৭ টাকা ধরে ৩ টন ব্ল্যাংক সিটের দাম হলো ২ লাখ ৯১ হাজার টাকা আর একটন জিপি সিটের মূল্য ১২৬ টাকা দরে ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা, মোট ৪ লাখ ১৭ হাজার টাকার মাল দিবেন, আমি নগদ গত ১৩-৯-২০২৬ তারিখে বিকেল বেলা দয়াগঞ্জে বসে ৫০০০০ টাকা এবং একই দিনে এশারের নামাজের পরে রাইসা বাজার একটি লাচ্চির দোকানে বসে দুটি চেক ওমর ফারুককে মাল দেওয়ার শর্তে দেই, ১৫০০০০ টাকার একটি চেক লিখে দিই যার নম্বর ৩৯৮৩ ৮৫৬ এবং একটি ব্ল্যাংক চেক দেই যার নম্বর ৩৯৮৩ ৮৫৪, ভুক্তভোগী নেছার উদ্দিন আরও জানান ১৪/৯/২০২৬ তারিখে দেড় লক্ষ টাকা একাউন্টে না থাকায় ওমর ফারুকের টাকার বিশেষ প্রয়োজন হয়ে পড়ায় ভুক্তভোগী নেছার উদ্দিন ওমর ফারুককে নগদ ০১ লাখ ৪২ হাজার টাকা সকাল সাড়ে দশটায় টিপু সুলতান রোডের মাথায় মরণ চান মিষ্টির দোকানে বসে ওই দিনই সকাল সাড়ে এগারোটায় মাল দেওয়ার শর্তে টাকা প্রদান করেন।টাকা দেওয়ার পরে আমি ঠিক টাইমে গাড়ি নিয়ে তার দোকানের সামনে চলে আসি,মাল দেওয়ার কথা বললে তিনি আমাকে মাল না দিয়ে উল্টো হুমকি ধাম কি ক্ষমতার জোরের কথা বলতে থাকেন,এবং আমাকে ঢাকা ছাড়া করার এমনকি প্রাণনাসের ও হুমকি দেন।আমি কয়েকবার অনুরোধ করলে এবং তার বাসায় গেলেও তিনি আমাকে কোন প্রকার পাত্তা না দিয়ে বারবারই হুমকি প্রদান করতে থাকেন,পরবর্তীতে আমি ধোলাইখাল মালিক সমিতির কাছে বিচার দেই,মালিক সমিতি বারবার ওমর ফারুককে ডাকলে তিনি সারাদেননি নেই, মালিক সমিতি তার উপর বিরক্ত হয়ে আমাকে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।মালিক সমিতির কথার উপর ভিত্তি করে আমি কত ১৯/০৯ /২০২৬ ইং তারিখে আমার বাসা কেরানীগঞ্জ থাকায় এবং অনেক রাত হয়ে যাওয়ায় আমি কেরানীগঞ্জ থানার একটি জিডি করি, জিডি নম্বর ১৩ ৪৯, ভুক্তভোগী নেছার উদ্দিন আরো জানান উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে বাধ্ বিপত্তির মধ্যেই তিনি আবার গত শুক্রবারে ৮ লক্ষ টাকা লেখা একটি চেকের বিষয় নিয়ে আমাকে উকিল নোটিশ পাঠান,চেক নং ৪৪৫৩৫২৮ উত্তরা ব্যাংক লিমিটেডের,হিসাব নং ০০১২২০০২১২ ৫৯৫,চেকের তারিখ লিখেছেন ২৮-৯-২০২৬,এটা আমার পুরনো একটি চেক ছিল ,আগে পরে কখনোই তাকে আমি ৮ লক্ষ টাকার এই চেক প্রদান করিনি।আমি দোলাই খালে দীর্ঘদিন ব্যবসা করার সুবাদে ব্ল্যাংক চেক দিয়ে এর আগে অনেকের সাথেই ব্যবসা করেছি,কিন্তু ওমর ফারুক সাহেব যে মিথ্যা কথা উকিল নোটিশে লিখেছেন আমি তার সাথে দীর্ঘদিন ব্যবসা করি কিন্তু তিনি মিথ্যা বলেছেন, আমি তার সাথে দীর্ঘদিন ব্যবসা করিনি,যে চেক দিয়ে তিনি উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন,এই চেক অন্য কোন ব্যবসায়ীর কাছে থাকতে পারে হয়তো আমার জানা ছিলনা।তিনি আমার সাথে প্রতারণা করবেন বলে কারো কাছ থেকে ওই চেকটি সংগ্রহ করেছেন।যা আমি কখনোই তাকে দেইনি।