২০১৯ সালে হাসান মামুনের গ্রেফতার ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে কিছু কথা-
মোঃএমদাদুল হক মিলন
২০১৯ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য *জনাব হাসান মামুন* এর বিরুদ্ধে “প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের” যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেটাকে বিএনপি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সংবাদ সম্মেলন করে যড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে গ্রেফতার করার অভিযোগ করেছিলেন।
মূল নিউজগুলো:
*১. বিএনপির প্রতিবাদ – যুগান্তর*
তারিখ: জুন ২০১৯
– বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলনে বলেন: “প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে বিএনপি নেতা হাসান মামুনের নাম জড়িয়ে তাকে ফাঁসানো হয়েছে”
– রিজভীর ভাষ্য: “যে অভিযোগ হাসান মামুনের বিরুদ্ধে করা হয়েছে, তা শুধু হাস্যকরই নয়, সম্পূর্ণভাবে বানোয়াট”
– তিনি বলেন, পটুয়াখালীর প্রশ্নফাঁস চক্রে শিক্ষক, আইনজীবী, জেলা প্রশাসন ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। এমনকি ছাত্রলীগের নেতাও গ্রেপ্তার হয়েছে। কিন্তু “এই অপরাধ চক্রের দুষ্কর্মের সঙ্গে হাসান মামুনের দূরতম কোনো সংশ্লিষ্টতার কথা গণমাধ্যমসহ কোথাও কেউ কিছুই বলেনি। অথচ সুপরিকল্পিতভাবে হাসান মামুনকে ফাঁসাতেই তার নাম জড়ানো হয়েছে”
*২. গ্রেপ্তার ও মুক্তি – ঢাকা টাইমস*
– গত ১৬ জুন ২০১৯ রাতে রাজধানীর শান্তিনগরের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়
– র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে তিনি জড়িত
– তবে শুরুতেই এমন অভিযোগ অস্বীকার করে তাকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করছে বিএনপি
– পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং ২ জুলাই ২০১৯ পটুয়াখালী জেলা কারাগার থেকে বের হন।
*৩. প্রথম আলো ইংরেজি রিপোর্ট*
– হাসান মামুন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি
– বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর র্যাবের হেফাজতের নিন্দা জানিয়ে তার নিরাপদে ফেরত চান।
সারসংক্ষেপ:
২০১৯ সালের জুনে পটুয়াখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় হাসান মামুনকে আসামি করা হয়,আসামি করার মূল কারণ হলো যেদিন তাকে গ্রেফতার করা হয় তার আগের দিন ফ্যাসিস্ট হাসিনার তথ্যমন্ত্রী আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডিএনএ টেস্ট করে তারেক রহমান তার সন্তান কিনা দেখার জন্য বলে তার বিপরীতে হাসান মামুন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিল যে তথ্যমন্ত্রী জারজ অবৈধ সন্তান তার ডিএনএ টেস্ট আগে করা হোক,তারপর থেকেই ফ্যাসিস্ট তথ্যমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশ হাসান মামুনকে যে কোন প্রকারে গ্রেফতার করতে হবে এবং প্রশাসন তখন থেকেই জনাব হাসান মামুনের মোবাইল নাম্বার গুলো টেকিংএ রেখেছিলো,এই অবস্থার মধ্যেই পটুয়াখালীতে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটে,প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সাথে তখন ছাত্রলীগ যুবলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিল এবং তাদেরকে গ্রেফতার করে জেলেও পাঠানো হয়েছিল,পরীক্ষার ১৫-২০ দিন পরে প্রশ্ন ফাঁসের সাথে কারা কারা জড়িত যখন প্রশাসন খুজতেছিল আর মামুন ভাইয়ের নাম্বার গুলো আগেই তো তারা টেকিংএ রেখেছিল ফ্যাসিষ্ট তথ্য মন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক,হাসান মামুন ভাই হঠাৎ একদিন শাহাদাত সোহাগ ভাইকে কল করে হাসান মামুন ভাইয়ের খালাতো ভাই রাজিব ভাইয়ের বিয়ের ব্যাপারে কথোপকথন হয়েছিল ফাকে মামুন ভাই শাহাদাত ভাইকে জিজ্ঞেস করেছিল প্রশ্ন ফাঁসের সাথে আমাদের এলাকায় কেউ জড়িত আছে নাকি,এবং তিনি সাবধান করলেন এসব বিষয়ে আমাদের পোলাপান যায় না যেন।তখন আমাদের দশমিনার কেন্দ্রীয় যুবলীগের এক নেতা এই ইস্যুতে গ্রেফতার হয়,মামুন ভাই আরো দুই একজনকে কল করে আমাদের এলাকার কেউ জড়িত আছে কিনা জানতে চেয়েছিলেন,প্রশাসন এই ইস্যু নিয়ে প্রথমে শাহাদাত ভাইকে গ্রেফতার করে এবং তাকে দিয়ে জোর করে হাসান মামুন ভাইয়ের নাম বলাতে চাপ দেয়,আর এটাতো একটা সহজ বিষয় তখন ফ্যাসিষ্ট হাসিনা যা চাইতো তাই করতে পারতো।পরেরদিন মামুন ভাইকে ধরে আনে, কিন্তু তখনকার প্রশাসন কোন সততা নিশ্চিত করতে পারেনি,বরং তারা স্বীকার করেছিল ফ্যাসিস্ট তথ্য মন্ত্রীর বিরুদ্ধে হাসান মামুন ভাইয়ের স্ট্যাটাস এর কারণে তাকে এই মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যা পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়নি,এবং হাসান মামুন ভাইয়ের জামিন হয়েছে পাশাপাশি মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে আওয়ামী লীগ আমলেই তাকে সম্পূর্ণ মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি বাদ হয়ে যায়।এই বিষয়টি নিয়ে এখন একটি কুচক্রী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে।যারা আজকে সমালোচনা করছো সেদিন তোমাদের অনেকের হয়তো জন্ম হয়নি অথবা রাজনীতি বুঝার বয়স হয়নি।এই হাসান মামুন অনইলিভেনে ১৪৪ ধারা জারি ভঙ্গ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল করেছিল।২০০৭ সালে তারেক রহমানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে।এই হাসান মামুন গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে অনলাইন অফলাইন দুটোতেই সোচ্চার ছিল।তার সহ ধর্মিনি তখন সরকারের মোটামুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেই ছিল তিনি তার চাকরি বাঁচানোর চিন্তাও করেননি।আজকে নতুন করে যাদের জন্ম হয়েছে কেবল তারাই হাসান মামুনকে নিয়ে মন্তব্য করতে পারেন।এসব বিষয়ে বিএনপি তখনই অভিযোগ করে যে এটি রাজনৈতিকভাবে “ফাঁসানো” হয়েছে এবং অভিযোগ “বানোয়াট”। বিএনপির দাবি ছিল, আসল চক্রে সরকারি দলের লোকজন জড়িত থাকলেও বিরোধী নেতাকে টার্গেট করা হয়েছে।
সর্বশেষে আমি কুচক্রী মহলদের সমালোচনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।